Tuesday, October 25, 2016 1:53:13 PM
Total Visitors
506190

সম্পাদকীয় যোগাযোগ

 " 9007322922 / 8900568880 "       

খবর ফ্ল্যাশ

 " আপনারাও হতে পারেন আপনাদের এলাকার সাংবাদিক, আপনাদের চোখের সামনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি ক্যামেরাবন্দি করুন আর পাঠিয়ে দিন আমাদের- 8777026797 এই নম্বরে "       

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

 " সরকার সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ না করলে, বিলুপ্ত হতে পারে শান্তিপুরের ঐতিহ্যবাহী রাস "      " কেশিয়াড়ী তে গ্রেফতার ৩ ছিনতাইবাজ, উদ্ধার ১১ টি মোবাইল। "      " ফের আটক মেহবুবা মুফতি! কাশ্মীরে নির্বাচনের আগে কোন পদক্ষেপ সরকারের? "       

পরিষেবা

পণ্যবাহী গাড়ির চালক ও সহকারীদের বিনামূল্যে খাওয়াছেন ধাবার মালিক নিজে

অ্যাম্বুলেন্স চালক, ডাক্তার, নার্স ও পণ্যবাহী গাড়ির চালকদের ডেকে বিনামূল্যে পেট ভোরে ভাত খাওয়াচ্ছেন মুর্শিদাবাদ জেলার সাগরদীঘি থানার রতনপুরে ৩৪ নং জাতীয় সড়কের পাশে মিস্টার ইন্ডিয়া ধাবার মালিক।দীর্ঘ রাস্তায় যাতে পানীয় জলের সমস্যা না হয় সেজন্য মিনারেল ওয়াটারের বোতল দিচ্ছেন এহেন অতিথি অ্যাপায়ন দেখে বেজায় খুশি হচ্ছেন দূরদূরান্ত থেকে আশা পণ্যবাহী গাড়ির চালকেরা।ধাবার মালিক মহম্মদ জাহিরুদ্দিন ওরফে মিস্টার প্রতিদিন ১০০-১৮০ জনকে খাওয়াচ্ছেন।কেন এই উদ্যোগ নিলেন এর উত্তরে তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে একটি গাড়ির চালক এসে খাবার চাইছিলেন তিন চার দিন ধরে অভুক্ত ছিলেন ওই চালক।শুনে খুব খারাপ লাগে মিস্টারের।অভুক্ত গাড়ির চালককে খাওয়ানোর পর সমস্ত পণ্যবাহী গাড়ির চালক দের ডেকে ডেকে বিনামূল্যে খাবার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিই এই পরিস্থিতিতে মানুষ আগে খেয়ে বাঁচুক।তিনি আরও বলেন আমাকে প্রশাসন যদি সাহায্য করেন ও প্রতিদিন হোটেল খোলার অনুমতি দেন তাহলে অনেকে উপকৃত হবেন। প্রতিদিন কয়েক হাজার ছোট -বড়ো গাড়ি চলে ৩৪নং জাতীয় সড়ক দিয়ে কলকাতা থেকে উত্তরবঙ্গ যাওয়ার পথে।কিন্তু এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা লক ডাউনের জেরে।শুধু ভারী যন্ত্রাংশ,পণ্যবাহী গাড়ি ও অ্যাম্বুলেন্স চলছে শুনশান রাস্তা দিয়ে।দিনের পর দিন হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিচ্ছেন চালক ও খালাসিরা, কিন্তু পথের দুপাশে গড়ে ওঠা সমস্ত হোটেল ধাবা ও খাবারের দোকান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ, ফলে বেজায় সমস্যায় পড়েছেন। কোথাও খাবার না মেলায় বিস্কুট মুড়ি আর চিঁড়ে খেয়ে দিন কাটাচ্ছেন।রতন পুরে জাতীয় সড়কের গা ঘেঁষে মিস্টার সাহেবের ধাবা।ধাবার মালিক আরও বলেন, যারা সারা বছর আমাদের জন্য খাবার, সবজি বহন করে আনছেন, তারা এখন খাবার না পেয়ে অসহায় অবস্থায় আছেন।ফলে তাদের মুখে খাবার তুলে দেওয়া উচিত।যত দিন লক ডাউন চলবে সব চালক ও খালাসীদের বিনামূল্যে খাবার দেবো আমি।না খেয়ে গাড়ি চালাতে খুবই কষ্ট হয় চালকদের।সরকার যদি মদের দোকান খোলার অনুমতি না দিয়ে খাবারের দোকান খোলার অনুমতি দেয় তাহলে বহু মানুষ খেয়ে বাঁচবে।গাড়ির চালক শেখ জাভেদ আলী বলেন, কোথাও খাবার পাইনি।গাড়ি নিয়ে যাচ্ছিলাম এখানে ডেকে বিনামূল্যে খাবার দিলেন, এমন পরিষেবা থাকলে ভালো হয়।তিনি আরও বলেন সরকার যদি মদের দোকান খোলার অনুমতি না দিয়ে হোটেল ও খাবারের দোকান খোলার অনুমতি দেয় তাহলে উপকার হয়।