Tuesday, October 25, 2016 1:53:13 PM
Total Visitors
506190

সম্পাদকীয় যোগাযোগ

 " 9007322922 / 8900568880 "       

খবর ফ্ল্যাশ

 " আপনারাও হতে পারেন আপনাদের এলাকার সাংবাদিক, আপনাদের চোখের সামনে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি ক্যামেরাবন্দি করুন আর পাঠিয়ে দিন আমাদের- 8777026797 এই নম্বরে "       

সদ্যপ্রাপ্ত সংবাদ

 " সরকার সদর্থক ভূমিকা গ্রহণ না করলে, বিলুপ্ত হতে পারে শান্তিপুরের ঐতিহ্যবাহী রাস "      " কেশিয়াড়ী তে গ্রেফতার ৩ ছিনতাইবাজ, উদ্ধার ১১ টি মোবাইল। "      " ফের আটক মেহবুবা মুফতি! কাশ্মীরে নির্বাচনের আগে কোন পদক্ষেপ সরকারের? "       

সাম্প্রতিক

পাশের দুই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে লাফিয়ে লাফিয়ে,চিন্তায় পূর্ব বর্ধমান

চিন্তা বাড়াচ্ছে পাশের দুই জেলা।বীরভূম ও হুগলিতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা।তাতেই চিন্তিত পূর্ব বর্ধমান।পাশের দুই জেলার প্রভাব এখানেও পড়বে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।এমনিতে পূর্ব বর্ধমান জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন এলাকায় করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলছে।সেই সব এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষনা করা হচ্ছে।তার পাশের এলাকাকে বাফার জোন হিসেবে ঘোষনা করা হচ্ছে।পূর্ব বর্ধমান জেলায় এখন পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৩১ জন।তার মধ্যে একাংশ চিকিৎসার পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।জেলায় এখনও পর্যন্ত ১০৮টি এলাকাকে কন্টেইনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষনা করা হয়েছিল।তার মধ্যে ৫৯ টি এলাকা থেকে কন্টেইনমেন্ট জোন তুলে নেওয়া হয়েছে।এখনও ঊনপঞ্চাশটি এলাকায় কন্টেইনমেন্ট জোন রয়েছে।লক ডাউন পর্ব কাটিয়ে আনলক ওয়ানের হাত ধরে স্বাভাবিক হচ্ছে বর্ধমান।দোকান বাজার শপিং মল খুলেছে।তাতে দিন দিন ভিড় বাড়ছে।সেই সঙ্গে শিকেয় উঠছে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বার্তা।মাস্ক পরতেও ভুলছেন অনেকে।অনেকেই রাস্তায় বেরচ্ছেন মাস্ক ছাড়াই।বাজারে মাস্কের চাহিদাও ক্রমশ কমছে।সচেতনতার অভাব দেখে প্রমাদ গুনছেন বিশেষজ্ঞরা।তাঁরা বলছেন এখনও করোনাকে পাত্তা না দেওয়ার সময় একেবারেই আসেনি।তাঁদের চিন্তার আর এক কারণ পাশের দুই জেলা বীরভূম ও হুগলিতে আক্রান্তের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকায়।তাঁরা বলছেন পাশের দুই জেলায় আক্রান্ত যেভাবে বাড়ছে তাতে কোনও ভাবেই নিশ্চিন্তে থাকার জায়গা নেই পূর্ব বর্ধমানের।ইতিমধ্যেই বাস চলাচল শুরু হয়েছে।ওই দুই জেলা থেকে বাসিন্দারা আসছেন।লোকাল ট্রেন চলাচল শুরু হলে সংক্রমণ মারাত্মক ভাবে বাড়তে পারে।‌সচেতন বাসিন্দারা বলছেন, আবার কড়াকড়ি হোক।করোনার সংক্রমণ রুখতে আবার লক ডাউন চাইছেন অনেকে।অনেকের মতে, লক ডাউন হলে অর্থনৈতিক পরিকাঠামো ভেঙে পড়বে।দিন আনি দিন খাই পরিবারগুলি আবার নতুন করে সমস্যার মধ্যে পড়বেন।ছোট শিল্প আর্থিক ক্ষতিতে জর্জরিত হয়ে পড়বে।তাই লক ডাউন না হলেও কড়াকড়ি হোক চাইছেন তাঁর।